কথকতার ছলে জীবনের গল্প বলে মেয়েদের দল Mad Balikas
তিহার থেকে বলছি
সিরিজ: গল্প-গাছা | নাট্যরূপ: পারমিতা বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রকাশিত: 08 মে 2022 | সময়কাল: 1 ঘন্টা 27 মিনিট 25 সেকেন্ড
চরিত্রলিপি:
শেষের কবিতা পাঠ-অভিনয়
  • অমিত | প্রিয়াঙ্কা দাস কানুনগো
  • লাবণ্য | অমলিতা খাঁড়া
  • কেটি | মণিকুন্তলা সেনগুপ্ত
ঘরে বাইরে পাঠ-অভিনয়
  • বিমলা | সুদেষ্ণা লাহিড়ী
  • সন্দীপ | প্রিয়াঙ্কা দাস কানুনগো
  • মেজোরানী | স্বাতী বিশ্বাস
চতুরঙ্গ পাঠ-অভিনয়
  • শচীশ | প্রিয়াঙ্কা দাস কানুনগো
  • শ্রীবিলাস | শ্রেয়া লাহিড়ী
  • দামিনী | সোমদত্তা মুখার্জি
  • আসিফা | পারমিতা বন্দ্যোপাধ্যায়
গান: গীতালি হালদার, অমৃতা মুখার্জি, শ্রীপর্ণা চ্যাটার্জি, তৃণা চক্রবর্তী
কথক: শ্রেয়া লাহিড়ী, সোমা দে

ভূমিকা

শ্রুতিনাটক তিহার থেকে বলছি রবিপ্রেমের ফসল। রবীন্দ্রনাথের তিনটি উপন্যাস শেষের কবিতা, ঘরে বাইরে এবং চতুরঙ্গের কিছু অংশ এক কাল্পনিক চরিত্র আসিফার দৃষ্টিতে পাঠ করব আমরা। আসিফা এক রাজবন্দী। লাবণ্য, বিমলা, দামিনীর অন্বেষণে তার জীবনের শেষ মুহূর্ত মিশে যায়।

রাজবন্দী আসিফার মোট তিনটি উপাখ্যান আছে, তিহার থেকে বলছি তার প্রথম কিস্তি। নাটকের মৌলিক অংশটি রইল।

নির্বাচিত চিত্রনাট্য

আসিফা

জেলর ম্যাডাম,

আপনাকেই লিখছি, চমকাবেন না। দেখুন, আমি রাজবন্দী। সলিটারি সেল থেকে চিঠি তো ছাড়ুন, চিঁটিও বেরোবার উপায় নেই। খবরের কাগজ চাইলাম, আপনি দিল্লাগি করে এনে দিলেন বাংলা বই। নাক উঁচু করে বললেন উমদা কিতাব, পঢ় লিজিয়ে। ভেতরে বুকমার্ক দেখেছি, আপনার বাড়িতে কোনো ছোটো ছেলে বা মেয়ের কিতাব। আপনি দিয়ে গেলেন, ভাবলেন কয়েদী নম্বর দোসোপনরাকে উল্লু বানালাম কেমন। এই খোট্টা দেশে বাংলা জানা আসামী? তাও রাজবন্দী? হা হা হা। আপনি কীকরে জানবেন রবীন্দ্রনাথ নিয়ে কি সোরাব রুস্তম হয়ে গেছে আমার একজনের সঙ্গে। উঁহু, নাম বললে আপনারা আবার তাকে নিয়ে পড়বেন। বলব না। আচ্ছা ধরুন সে - বিশ্রী। কেমন সুন্দর নাম? সে এত পুরোনো কথা ভাবি সে কি এই জনমে নাকি আগের জনমের কথা। বিশ্রী বলত, রবিঠাকুর নাকি তার প্রাণের আরাম। আমি স্নাব করে বলতাম, মানুষকে যে কাজ ঠাকুর বানায় সে কাজে কোনো দিলচসপি নেই আমার। পড়িনি, বলেছিলাম এই সব মাশি লাভ লাভ থিংস নিয়ে দূর হও।

দূর হয়েছিল, কিন্তু তার আগে বাংলাটা সেই শিখিয়েছিল। যাতে কোনোদিন রবীন্দ্রনাথ পড়তে ইচ্ছে হলে...কেমন শিখিয়েছিল বলুন তো? 

বিশ্রীকে ভোলার জন্য বাংলা ভুলেছিলাম, কিন্তু - ভুলতে পারলাম কই? 

একটা গান খুব গাইত, ঝুলনা ঝুল, না না, - ফুল- ফুলডোরে বাঁধা ঝুলনা। মনে পড়ছে। আজ বড্ড মনে পড়ছে।

গান 

আসিফা

জেলর ম্যাডাম,

প্রেমে পড়েছি মনে হচ্ছে। আর এ সব দোষ আপনার। এই শেষবেলায় এসে শেষের কবিতা পড়তে দিয়েছেন দেখে নিজের ওপর একটু সিমপ্যাথি, একটু সেলফ পিটি বাড়াচ্ছিলাম।

এখন পড়তে পড়তে আমার বাংলা, আমার বিশ্রী, আমার ভুলি বিসরি জীবন আস্তে আস্তে ফিরে আসছে।

লাভ স্টোরি, শুনেছি খুব নামডাক, পপুলার লাভ স্টোরি যেমন হয় ভেবে রেখেও দিতাম কিন্তু -

কিন্তু পড়তে শুরু করে; কেমন দিল আনচান করছে। কাল ওরা আমার সঙ্গে কথা বলে গেল। আলাদা আলাদা করে। অমিত আর লাবণ্য। জ্বর আসছিল, রোজকার মত, কিন্তু ব্যথাটা আর বোধ হয়নি। অমিত বলে চাইলে এই কুঠুরিতেও পাহাড় দেখা যায়।

আজ ওরা আসবে না? আমার জ্বর আসুক, ওদের দেখব, কথা বলব।

আমি কার প্রেমে পড়লাম? জেলর সাহিবা?

শেষের কবিতা পাঠ-অভিনয় 

গান

আসিফা

দিদি,

আজ অনেকদিন পরে বেশ লাগছে। মনে হচ্ছে পুরো রবীন্দ্রনাথ শেষ করে আপনাকে বাজি হারাব। এই যে আপনি ঘরে-বাইরে পড়তে দিলেন, সরকার বাহাদুর জানলে আমার মাথার সঙ্গে আপনার কানটাও নেবে কিন্তু। তা সে আমার মাথা এমনিই আজ আছে কাল নেই, আপনার কানের বন্দোবস্ত আপনিই বেশ রকম করবেন না হয়, কিন্তু এ যে একেবারে আগুন! সন্দীপের মত ঘুণ ধরেই যে বিপ্লবের ভিতটা আলগা হয়ে যায়, আপনার প্রভুরা সেটা বেশ ভালো বোঝেন, তাই না? বিমলাদের ফাঁদ পেতে ধরা যায়, কোল্যাটারাল ড্যামেজ পড়ে থাকে নিখিলেশ, গ্রামকে গ্রাম দাঙ্গায় উজাড় হয়, জঙ্গলকে জঙ্গল খনিতে। তাই তো? কেমন সহজ অঙ্ক! দেখি আরেকবার, এই জায়গাটা - বিমলার আত্মকথা। বার বার পড়তে ইচ্ছে করে।

ঘরে-বাইরে পাঠ-অভিনয় 

গান

আসিফা,

আজকাল ওরা আমাকে ঘিরে থাকে। জ্বর আর ছাড়ে না, ওরাও আমাকে ছেড়ে যায় না। একটা একটা করে উপন্যাস শেষ করেছি, এক এক করে ভরে উঠেছে আমার চারপাশ। কোথায় রে তোদের সলিটারি সেলের কাগুজে বিধান? কোথায় তোদের সেপাইদের পাহারা? আয় রাষ্ট্র, দেখে যা, তোদের কয়েদী নম্বর দোসোপনরাকে ঘিরে রেখেছে লাবণ্য, বিমলা, এলা, সুচরিতা। দামিনী আসবে আজ। পাগলী মেয়ে। খালি গুমরে মরে। আমার কাছে এলে রেখে দেব আমার করে, আমার বুকের ভেতরে, কোথাও যেতে দেব না।

আমি মরে গেলে আর জন্মে পাব তোমাকে, বিশ্রী? আমি নাস্তিক, জন্মান্তরে বিশ্বাস করতে মানা। কী হবে আমার?

পরবর্তী অংশ শুনুন ইউটিউবে

আপনার মতামত

এর উত্তরে Some User

এই বিভাগের অন্যান্য পোস্টসমূহ

  • শরতের খোলা খাম ব্যানার

    শরতের খোলা খাম

    সিরিজ: গল্প-গাছা | নাট্যরূপ: তৃণা চক্রবর্তী, পারমিতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    প্রকাশিত: 10 অক্টোবার 2021 | সময়কাল: 59 মিনিট 32 সেকেন্ড

    সাদিক হোসেন, সাকিন মুর্শিদাবাদ

    অনামিকা মিত্র, সাকিন উত্তর কলকাতা

    রাজযোটক যে নয় সাদিক-অনামিকা তা জানতে কোষ্ঠীবিচার লাগবে না। দুর্গ্রহলগ্নে ওদের জন্ম। তাই তো নেট পরীক্ষা দিতে গিয়ে পাশাপাশি সিট পড়ে। সময় বুঝে কালি খতম হয়ে যায় সাদিকের। ঝট করে পেন বাড়িয়ে দেয় পাশ থেকে অচেনা অনামিকা। ডটপেনের মূল্যবাবদ পরীক্ষার পরের চা আর প্রজাপতি বিস্কুটটা অফার করে সাদিক। তারপর? অনামিকার গালে টোল পড়ে, সাদিকের গিটারে বোল ধরে, কাশফুলে লাগে দোল। যা হবার তাই হয়। অথচ তখন সদ্য নয়ের দশক। বাবরি মসজিদ অক্ষত। ভাবা যায়?

    সাদিক অনামিকার প্রেমটা বেশিদিন টেকেনি। কিন্তু টেঁকসই প্রেম ঠিক কেমন? এই যে প্রতি পুজোয় এরা এখনও একজন আরেকজনকে মনে করে চিঠি লেখে, লিখে সে চিঠি রেখে দেয় যার যার ডায়রিতে, এটা প্রেম, না অন্য কিছু? এই চিঠি আর কিছু গান কবিতা নিয়ে শ্রুতিনাটক শরতের খোলা খাম। কিছু চিঠি থাকল এখানে আপনাদের জন্য।

  • শ্রুতি নাটক - মেঘমল্লার

    মেঘমল্লার

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্প অবলম্বনে শ্রুতিনাটক
    সিরিজ: গা ছমছম | নাট্যরূপ: পারমিতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    প্রকাশিত: 18 জুন 2022 | সময়কাল: 36 মিনিট 46 সেকেন্ড

    মেঘমল্লার বিভূতিভূষণের প্রথম গল্পগ্রন্থ। ১৯৩১ সালে প্রকাশিত এই ছোটগল্প সংকলনের একটি গল্প মেঘমল্লার।

    এই গল্পটি যথাসম্ভব অবিকৃত রেখে আমরা এর নাট্যরূপ দিয়েছি। এখানে নাটকের অংশবিশেষ রইল সংলাপ আকারে।

  • টেগার্টের ডায়েরি চ্যাপ্টার ১ - বিনয় বাদল দীনেশ

    টেগার্টের ডায়েরি চ্যাপ্টার ১

    বিনয় বাদল দীনেশ

    সিরিজ: ইতিহাস কথা কয় | নাট্যরূপ: পারমিতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    প্রকাশিত: 23 জানুয়ারী 2022 | সময়কাল: 23 মিনিট 21 সেকেন্ড

    গল্পটা আমাদের মোটামুটি চেনা। ইতিহাস বইয়ে বিনয় বাদল দীনেশের অলিন্দ যুদ্ধের আখ্যান পড়েনি এমন লোক খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। অথচ ব্রিটিশ রাজ যে তাঁদের দেগে দিচ্ছে আর্বান ডাকাত বলে, তা খুব একটা জানা কথা নয়। বিনয় বোস যখন গুলি খেয়ে হাসপাতালে, কমিশনার টেগার্ট সশরীরে গিয়ে বিনয় বোসকে দর্শন দিয়ে এলেন। পরের দিন দেখা গেল বিনয়ের আঙুলের গাঁটগুলো সব ভাঙা।

    অগ্নিযুগে বিপ্লবের জানা-অজানা কাহিনী নিয়ে ব্রিটিশ পুলিশ অফিসারের দৃষ্টিকোণ থেকে তৈরি শ্রুতিনাটক টেগার্টের ডায়েরি। চ্যাপ্টার ১ নির্মিত হয়েছে বিনয়-বাদল-দীনেশের রাইটার্স অভিযানের ওপরে। শ্রুতিনাটকের কিছু সংলাপ এখানে রইল।

  • টেগার্টের ডায়েরি চ্যাপ্টার ২ - ননীবালা দেবী

    টেগার্টের ডায়েরি চ্যাপ্টার ২

    ননীবালা দেবী

    সিরিজ: ইতিহাস কথা কয় | নাট্যরূপ: পারমিতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    প্রকাশিত: 10 আগস্ট 2022 | সময়কাল: 16 মিনিট 9 সেকেন্ড

    আমাদের এই চ্যাপ্টারে আছেন এক ব্ল্যাক উইডো। তিনি হলেন ননীবালা দেবী। ননীবালা দেবী। বাংলার প্রথম মহিলা রাজবন্দী। অফিসিয়ালি প্রথম থার্ড ডিগ্রী খাওয়া মহিলা রাজবন্দী ননীবালা দেবী। শরীরে দুবাটি লঙ্কাবাটা ঢোকানোর পরেও মুখ না খোলা ননীবালা দেবী।

    টেগার্টের ডায়রীর দ্বিতীয় পর্ব, নির্মিত হয়েছে বাংলার প্রথম মহিলা রাজবন্দী ননীবালা দেবীর ওপরে। শ্রুতিনাটকের কিছু সংলাপ এখানে রইল।

  • Ajeeb Dastaan - বাঈজীদের গল্প

    Ajeeb Dastaan - বাঈজীদের গল্প

    সিরিজ: ইতিহাস কথা কয় | নাট্যরূপ: পারমিতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    প্রকাশিত: 06 মার্চ 2022 | সময়কাল: 26 মিনিট 41 সেকেন্ড
    প্রাপ্ত-বয়স্কদের জন্য

    বিস্মৃত যুগের নগরবধূ থেকে মহারাণী ভিক্টোরিয়ার ইন্ডিয়ান উপনিবেশের বাঈজীদের ব্যাপ্তিতে আমরা খুঁজতে চেয়েছি নটীদের সামাজিক অবস্থানের বিবর্তনের ইতিহাস। এই শ্রুতিনাটক কাল্পনিক হলেও যে ইতিহাসের গল্প আমরা বলেছি তা আমাদের উপনিবেশের অমোঘ সত্য।

  • টেগার্টের ডায়েরি চ্যাপ্টার ৩ - বাঘা যতীন

    টেগার্টের ডায়েরি চ্যাপ্টার ৩

    বাঘা যতীন

    সিরিজ: ইতিহাস কথা কয়
    প্রকাশিত: 12 আগস্ট 2022 | সময়কাল: 21 মিনিট 38 সেকেন্ড

    1915 সালে নয়ই সেপ্টেম্বর যতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় ওরফে বাঘা যতীন পাঁচজন সহযোদ্ধা নিয়ে তিনশো ইংরেজ সৈন্যর সঙ্গে যুদ্ধ করেন। বালাসোরে বুড়িবালাম নদীর তীরে এই যুদ্ধ ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা আছে। সেই সৈন্যবাহিনীতে টেগার্ট নিজেও ছিলেন গোয়েন্দা বিভাগের তরফে। টেগার্টের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে নির্মিত শ্রুতিনাটকের কিছু সংলাপ এখানে রইল।

  • বর্ষামঙ্গল - গীতি-কবিতা আলেখ্য

    বর্ষামঙ্গল - গীতি-কবিতা আলেখ্য

    সিরিজ: গল্প-গাছা | রচনা: পারমিতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    প্রকাশিত: 01 আগস্ট 2021 | সময়কাল: 44 মিনিট

    ভরা বর্ষায় আঁচল পেতে বসে থাকে বঙ্গজননী। নদীনালার কূল ছাপিয়ে বন্যা হবে। কিছু রোয়া ধান ভেসে যাবে। কুঁড়ে গোয়াল ছেড়ে একটা ছাগল কি দুটো মুর্গি সম্বল করে হেঁটে যাবে চাষাভুষোর দল। সম্বচ্ছর উদ্বাস্তু হতে হয় তাদের। গ্রামের নেড়িগুলো অবাক চোখে দেখবে একরত্তি ভেলাগুলোতে তাদের ঠাঁই নেই। পরে, রোগব্যাধি ক্ষয়ক্ষতির ষোলকলা পূর্ণ করে, জল সরবে, রেখে যাবে প্লাবনভূমির উত্তরাধিকার।

    ভরা বর্ষায় জল বাড়ে তাড়াতাড়ি। নদীতে, রাস্তায়, খাদানে কুলি কামিনরা কাজ বন্ধ করবে, কখনও তার আগেই ঘটে যাবে দুর্ঘটনা। ডুবে নিখোঁজ হয়ে যেতে যেতে মজুরদের মনে পড়বে না কতপুরুষ আগে, বিদেশী রাজাদের শিল্পবিপ্লব হওয়ার আগে, তাদের হাতে লাঙল ছিল, জল সরলে তারা সোনা ফলাত। কোনও এক গাঁয়ের বধূর গোলাভরা ধান ছিলো, উঠোনে আলপনা ছিলো। সে থাক। অপঘাত মানুষকে জাতিস্মর করবে এমন কোনো কথা নেই।

    বর্ষামঙ্গল - আমাদের শেকড়ের কথা। গানে কবিতায় ছবি আঁকি।

  • দ্রোহকাল - তিন পর্ব

    দ্রোহকাল - তিন পর্ব

    সিরিজ: ইতিহাস কথা কয় | নাট্যরূপ: পারমিতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    প্রকাশিত: 19 ডিসেম্বর 2021 | সময়কাল: 1 ঘন্টা 36 মিনিট 9 সেকেন্ড

    দ্রোহকাল একটি ঐতিহাসিক কল্পকাহিনী। গৌতম বুদ্ধের সমসাময়িক এই কাহিনী অজাতশত্রুর রাজত্বের প্রথমদিকের ঘটনাবলীর ওপর আধারিত। চারশ নব্বই খ্রীষ্টপূর্বাব্দ নাগাদ অজাতশত্রুর বৈশালী আক্রমণের পর থেকে মগধের তৎকালীন রাজধানী রাজগৃহে এই কাহিনীর সূত্রপাত। রবীন্দ্রনাথের পূজারিণী কবিতায় যে ঘটনার উল্লেখ আছে, এমনকি বাণী বসুর মৈত্রেয় জাতকের দ্বিতীয় পর্বেও যার আভাস পাওয়া যায়, সেই শ্রীমতির অর্ঘ্যদানের দ্রোহ সম্বল করে শ্রুতিনাটক- দ্রোহকাল। তিন পর্বে প্রকাশিত।

    এই কাহিনী আমাদের আসিফা ট্রিলজির শেষ কিস্তিও বটে। তিহার থেকে বলছি এবং শুধু তোমার জন্যর পর আমরা শেষবার দেখা পাব আসিফার। 

    নাটকের প্রধান চরিত্রে আছেন অজাতশত্রু, দেবদত্ত, শ্রীমতি, আম্রপালী এবং এক বিদেশী।

    এখানে নাটকের অংশবিশেষ রইল সংলাপ আকারে।