ডাকিনীবিদ্যার কথায় বামপন্থার একটা কথা উঠেছিল, মনে আছে? আচ্ছা এই মারি কি সেই মারি হয়ে ছুটে আসার আগে আর এক ধাপ এগোই? উঁকি মারা যাক বজ্রযানী গুহ্যসমাজতন্ত্রের দুনিয়ায়। এ এক অভূতপূর্ব মহাযোগ শ্রেণীর তন্ত্র, যে তন্ত্র বামাচার অনুশীলন যেমন মদ, যৌনাচার ও শ্নশান সাধনার মতো নিষিদ্ধ ব্যবহারের মাধ্যমে ক্রোধী দেবতাকে আহবান করতে শেখায়! বামাচার, অর্থাৎ কিনা বাম হাতের পথ!
কাজেই লগুড় হাতে এগিয়ে আসার দরকার নেই, বুঝলেন? এ বামপন্থা সে বামপন্থা নয়! এ হল যা কিছু প্রচলিত পদ্ধতির বিপরীতে। প্রচলিত পদ্ধতি বলতে দক্ষিণাচারী পন্থা। তাহলে বামাচারের ভাগে পড়ল, কী?
কুখ্যাত পঞ্চ ম-কার। মদ্য (মদ), মাংস, মৎস্য (মাছ), মুদ্রা (শস্যকণা) এবং মৈথুন। কী? জমে যাচ্ছে তো বিষয়টা?