"প্রভু, দণ্ডিতের সাথে দণ্ডদাতা কাঁদে যবে সমানে আঘাতে
সর্বশ্রেষ্ঠ সে বিচার।"
বলাই বাহুল্য এসব বলে গান্ধারী কিছুই আটকাতে পারেননি। দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ, আস্ত কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ, কোনও কিছুই এসব ধর্মকথা হাতে নিয়ে বসে থাকেনি। এই যুগের গুরুজনেরা তো বলেন রবীন্দ্রনাথ নিজেও অর্বাচীন কম নন, তিনি তো আর দেশভাগের ক্রাইসিস দেখেননি! ঐজন্যেই গান্ধারীর আবেদনে অত নীতিকথা লিখেছেন।
তা দেখুন, গুরুজনেরা, বিশেষ করে রাষ্ট্রের গুরুজনেরা বলেন যখন ঠিকই বলবেন, তাঁদের বক্তব্যে ভুল ধরতে গেলে ঠিকানা পরিবর্তনের দরকার পড়তে পারে। সেটা কথা নয়। প্রশ্নটা হলো, বাংলায় এনকাউন্টার ফিরে পেয়ে আমরা ভেরি হ্যাপি। মেয়েদের বিচার এসে গেছে, এখন আমরা হৃষ্টচিত্তে ডিম থেরাপির মিমে ফিরে যাচ্ছি, আমাদের এই ইনস্ট্যান্ট জাস্টিসই কি তবে আমাদের রাজনীতির মোক্ষ? প্রতিশোধের রাজনীতি, প্রতিরোধের নয়?